দুই মাস। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দুইটি বড় আসরে ট্র্যাকে নামলেন বাংলাদেশের স্প্রিন্টার ইমরানুর রহমান। দুবারই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারলেন না নিজের প্রত্যাশার ঠিকানায়। তবে হতাশার ভেতরেও আছে উন্নতির একটি ছোঁয়া—আশা জাগানিয়া।
ফেব্রুয়ারিতে এশিয়ান ইনডোরে ৬০ মিটার দৌড়ে নিজের হিটে দ্বিতীয় হয়েও সেমিফাইনাল থামতে হয়েছিল যেখানে। সেখানে শেষ হাসি ছিল না। আর আজ, বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকসের একই দূরত্বের দৌড়ে হিটে সাতজনের মধ্যে পঞ্চম হয়েছেন তিনি। নামের পাশে অবস্থানটা হয়তো তেমন মন ভরায় না, কিন্তু স্টপওয়াচের কাঁটায় বাজিয়েছেন নতুন খবর—এশিয়ান ইনডোরের চেয়ে সময় কমিয়েছেন ০.০২ সেকেন্ড!
পোল্যান্ডের মাটিতে এই বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন একক প্রতিনিধি হিসেবে। ৬০ মিটারের এই স্প্রিন্টে মোট প্রতিযোগী ছিলেন ৪৯ জন। শেষ পর্যন্ত ইমরানুরের অবস্থান ৩৭তম। তাঁর দৌড়ের সময় ৬.৭১ সেকেন্ড।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে কাজাখস্তানের এশিয়ান ইনডোরে এক ইতিহাস গড়েছিলেন এই স্প্রিন্টার। সেবার ৬০ মিটার দৌড়ে জিতেছিলেন সোনার পদক। আর সেই সময়টা ছিল ৬.৫৯ সেকেন্ড—যা আজও তাঁর ক্যারিয়ারসেরা টাইমিং।
এশিয়ার অ্যাথলেটিকসের শীর্ষ আসরে বাংলাদেশের একক স্বর্ণজয়ী অ্যাথলেট ইমরানুরই। এশিয়ান ইনডোরে বাংলাদেশের পদক জয়ের তালিকা এখন তিনজনের। ইমরানুরের সোনার পাশাপাশি জহির রায়হানের রুপা (৪০০ মিটার, ২০২৪) আর মাহফুজুর রহমানের ব্রোঞ্জ (হাই জাম্প, ২০২৪)—এই তিনটি পদক এখন বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসের গর্বের তালিকা।
বিশ্ব মঞ্চে হয়তো আজকের ফলটা প্রত্যাশিত ছিল না, কিন্তু সময়ের সেই ক্ষুদ্র উন্নতিও যেন বলে দেয়—আরও কিছু করার বাকি আছে ইমরানুরের।
